Posts

আমার নির্বাচন ভাবনা

আগামীকাল ১২ ফ্রেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন৷  নির্বাবাচনী বাজেট 3​315 কোটি টাকা। জনগনের ভ্যাট-ট্যাক্সের 3315 কোটি টাকা  আমারা নির্বাচনের পেছনে খরচ করছি!  . এই ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র ১ কোটি টাকায় শেষ করে ফেলা সম্ভব৷  নিজের ব্যাংক একাউন্ট নিজে খোলা যায়, কোটি কোটি টাকা লেনদেন করা যায়, কিন্তু ভোট দেওয়া যায়না? হাউ ফানি! . অবশিষ্ট 3314 কোটি টাকা দিয়ে আমরা 495টি উপজেলায়  ১ টি করে উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার  তৈরী করে দিতে পারি, এটা সম্ভব৷  প্রতিটি উপজেলায় আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম থেকে তৈরী হতে পারতো পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত বিজ্ঞানী, আবিষ্কারক, গবেষক, লেখক যারা ভবিষ্যত বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিতে পারতো।  আমাদের পক্ষে কাজ করতো, আমাদের শত্রুদের অন্তরে ভীতির সঞ্চার হতো।  ৫ বছর পর পর এই  অর্থের অপচয় কতটুকু যৌক্তিক? জানি এর জবাব দিতে সরকার অক্ষম৷  . তোমদের স্বপ্নে অটোরিকশা, বাস, আর মোটরসাইকেল মেকানিক তেরী করা। বুয়েট তাই করছে না? তোমাদের অপ্রত্যাশিত মেধাবীদেরকে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়ে দেশটাকে লুটেপুটে  খাবার ধান্দা!  জয় মাফিয়াদের জয়! ...

পথে-প্রান্তরে

আপনি-আমি সবাই যেহুতু সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, তার মানে পৃথিবীর আরো লক্ষ্য-কোটি মানুষ একই সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে৷ আমরা একা নই।  . দুনিয়া এমন এক জায়গা যেখানে সবাই চরমভাবে পরিক্ষিত হচ্ছে। শক্তি, সময়, সম্পদ, স্বাস্থ্য, সম্পর্ক সবকিছুই আমাদেরকে পরীক্ষা করে যাচ্ছে। আমারা হয়তো টের পাচ্ছিনা।  . আমাদের স্বাভাবিকভাবেই যা পাওয়ার কথা ছিলো আমরা তা পাচ্ছিনা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আমরা চরম ভুল এবং পাপে জড়িয়ে পড়ছি৷ আমরা সবাই সবার হক বুঝে পেতে সচেতন, কিন্তু অন্যের হক মেরে চলছি প্রতিনিয়ত। যেকারণে দুনিয়াটা একটা অস্থিতিশীল পরিবেশের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।  . কিয়ামতের দিনে বাবা-মা সন্তানকে ছেড়ে চলে যাবে। তাহলে অন্য সম্পর্কগুলোতো আরও অর্থহীন৷ কেউ কাউকে চিনবেনা, গুনবেনা। সবাই ইয়া নফছি, ইয়া নফছি করবে৷ বাবা-মা সন্তানকে ভুল প্রমাণ করে তাদের জাহান্নামে ফেলে দিয়ে হলেও নিজে জান্নাতে যেতে চাইবে। সন্তানেরা একই কাজ করবে।   দুনিয়ার সবাই একে-অপরকে দোষারোপ করবে। এথেকে বোঝাযায় বাস্তবে- অনবরত যুদ্ধে-বিদ্ধস্ত হচ্ছে এমন এক জনপদে আমরা হাঁসিমুখে চলাচল করছি৷ যেন সবকিছুই ঠিকঠাক!  . কাঁটাযুক...

সমাজ ও সন্তান ভাবনা

Image
  গোলামীর মনস্তত্ব গড়ে দিয়েছে ব্রিটিশদের দিয়ে যাওয়া আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা। সোসাইটির এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এখনে এখন প্রয়োজন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নয় বরং আদর্শ  লিডারের। কিন্তু সেই সমস্যার সমাধাণ বা লিডার আমরা গড়ে তুলতে পারছিনা৷ আমাদের সন্তানেরাও ওই গোলামীর শিক্ষা গ্রহণ করে বড় বড় নৈতিকতা বিহীন কোম্পানি বা সরকারের গোলামী আর তাদের পকেট গরম করে চলছে।  নীতি-নৈতিকতা, আদর্শের ভ্যালু তাদের কাছে নেই৷ নেই সমাজকে পাল্টে দেওয়ার কোন স্বপ্ন। তাদের পুরো জীবনটা সার্ভাইভ আর প্রক্রিয়েশন এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ  হয়ে গেছে। এজন্যই  সকালে আসা পত্রিকার পাতা আর টিভি নিউজ অপরাধের খবরে সয়লাব৷ সমাজের যখন একপক্ষ অপরাধ করছে, অপরপক্ষ অপরাধের স্বীকার হচ্ছে। সমাজ,দেশ, ব্যক্তিগত স্বাধীনতাসহ লিভিং সবকিছুই হুমকির সম্মুখীন  হচ্ছে। বাস্তবেকেউ-ই স্বস্তিতে নেই। . স্কুলগুলোতে বাচ্চাদের ব্রেণওয়াশ করা হয়, মাথায় গেড়ে দেওয়া হয় তাদের জীবনের স্বপ্ন।  ভুল অথবা সঠিক স্বপ্ন। আমরা কি সেই স্বপ্নের খোঁজ  রাখি? একই কারিকুলাম, একই সিলেবাসে পড়িয়ে কি পাচ্ছি আমরা? . সোসাইটির সব শিশু যখন একই পড়া প...